বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
বগুড়া শ্রমিকদের আস্থায় বিজয়ী হলেন সামছু!
বগুড়া জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন সামসুজ্জামান সামছু। শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধিত্বে বরাবরের মতোই অগ্রণী ভূমিকা রাখা এই নির্বাচনের ফলাফলকে ঘিরে শ্রমিক মহলে ছিলো ব্যাপক আগ্রহ ও উত্তেজনা। ভোটের দিন সকাল থেকেই বগুড়ার শ্রমিক পরিবেশ ছিল সরগরম, প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন বিভিন্ন স্তরের সমর্থকরা। শত শত শ্রমিক লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন— যা ছিল এক প্রকার উৎসবমুখর দৃশ্য।
সামসুজ্জামান সামছু একজন অভিজ্ঞ সংগঠক, যিনি দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় ভূমিকা রেখে আসছেন। তাঁর প্রার্থিতার পেছনে ছিল এক দশকেরও বেশি সময়ের শ্রমজীবী অভিজ্ঞতা, নির্ভরযোগ্যতা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর দেখা যায়, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তুলনায় বিপুল ভোটে এগিয়ে আছেন সামছু। এই জয় শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির নয়, এটি ছিল শ্রমিকদের বিশ্বাস, প্রত্যাশা এবং ভবিষ্যতের উন্নয়নের প্রতিফলন।
নির্বাচনের পর বিজয়ী সামছু সাংবাদিকদের বলেন, “আমি এই বিজয় শ্রমিক ভাইদের উদ্দেশে উৎসর্গ করছি। তারা যেভাবে আমার উপর আস্থা রেখেছেন, আমি কথা দিচ্ছি— তাদের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে, কাজের নিরাপত্তা, চিকিৎসা সুবিধা ও সংগঠনের শক্তি বৃদ্ধিতে নিরলস কাজ করে যাবো।”
তার এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে নতুন নেতৃত্বের সূচনা হলো, যা বগুড়া জেলার মটর শ্রমিকদের নতুন দিক নির্দেশনা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। সামছুর নেতৃত্বে ইউনিয়নের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে— এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। অনেকেই বলছেন, এই নির্বাচন ছিল কেবল একজন সাধারণ সম্পাদকের নির্বাচন নয়, এটি ছিল শ্রমিক আন্দোলনের একটি দিকনির্দেশনামূলক পদক্ষেপ।
শ্রমিকদের কল্যাণে গৃহীত পদক্ষেপ, সংকটময় সময়ে তাঁদের পাশে দাঁড়ানো এবং সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে সামছুর সুনাম ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠিত। নতুন মেয়াদে তিনি সেই আস্থার প্রতিদান দেবেন— এটাই এখন শ্রমিক সমাজের প্রত্যাশা।
এখন বগুড়া মটর শ্রমিক ইউনিয়নের দৃষ্টি সামসুজ্জামান সামছুর নেতৃত্বে একটি সংগঠিত, সচল এবং অধিকতর সহায়ক পরিবেশ গড়ে তোলার দিকে। সময়ই বলবে— এই আস্থা কতটা সার্থক হবে। তবে ভোটের রায় যে একটি সুস্পষ্ট বার্তা দিয়েছে— তা হলো, শ্রমিকরা পরিবর্তন চান, শক্ত নেতৃত্ব চান, আর সেই নেতৃত্বে আপাতত সামছুই তাঁদের ভরসার নাম।